বিশ্বায়নের কাল ও চীনের উন্নয়ন–দর্শন

কামাল আহমেদ:  চীনের উন্নয়ন–দর্শনের এক চমৎকার এবং অপ্রত্যাশিত সুযোগ এসে গেল গত মাসে। পিপলস ডেইলি পত্রিকার আমন্ত্রণ, তা-ও আবার পুরো ১৫ দিনের জন্য। চীনে এটিই আমার প্রথম সফর। সুতরাং অতীতের চীন কেমন ছিল, তার সঙ্গে কোনো তুলনার দুঃসাহস দেখানোর সাধ্য আমার নেই। তবে বেইজিংয়ের উদ্দেশে ঢাকায় বিমানে চড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মনে কিছুটা খটকা লাগল যাত্রীর ভিড় দেখে। চীনের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু হয়েছে বছর কয়েক হবে, তা-ও বেইজিংয়ের সঙ্গে নয়, কুনমিংয়ের সঙ্গে।

চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ সিরিজের এই আকাশযানে ১৫০ আসনের সব কটিই পূর্ণ। যাত্রীদের ৯০ শতাংশ বাংলাদেশি এবং তা-ও আবার বয়সে তরুণ। এঁদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেক। আমি বসেছি জানালার দিকে, আর আমার পাশে এক তরুণ ও তরুণী। আশপাশের আসনগুলোতেও তাঁদেরই বন্ধুবান্ধব। জিজ্ঞেস করে জানলাম, গরমের ছুটি শেষে তাঁরা ফিরছেন তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁরা কেউ পড়ছেন ডাক্তারি আর কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং। পড়ার খরচ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজের চেয়ে খুব যে বেশি, তা নয়।

আবার এসব বিশেষায়িত শাখায় শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের তেমন একটা সমস্যাও হয় না। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে যখন শিক্ষার্থী হিসেবে ভিসা পাওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে গড়ছে, তখন বাড়ির কাছে ভারত ছাড়া সহজ বিকল্প চীন। মালয়েশিয়াও আছে। উচ্চশিক্ষায় বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের আকৃষ্ট করতে পারার এই ক্ষমতা চীনের আগে ছিল বলে তেমন একটা শুনিনি। এটি নিশ্চয়ই দেশটির শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির একটি আলামত।

কুনমিং পর্যন্ত বিমানযাত্রার সময় প্রায় আড়াই ঘণ্টা। ওই সময়ে দুপুরের যে খাবার দেওয়া হলো, তাতে আমি কিছুটা বিস্মিত। খাবারের প্যাকেটে হালাল সিল এবং তা শুধু যে আমার প্যাকেটে তা নয়, সবার প্যাকেটেই। ভাবলাম বিমানটি যেহেতু মুসলমান প্রধান দেশ থেকে যাত্রা শুরু করেছে, সে জন্যই বোধ হয় এই ব্যবস্থা। কিন্তু ভুল ভাঙল কুনমিং থেকে বেইজিংয়ের পথে অভ্যন্তরীণ পথের নতুন বিমানে। সেখানেও যে রাতের খাবার দেওয়া হলো, তাতেও হালাল সিল। এরপর দেশটিতে অভ্যন্তরীণ পথে তিনটি আলাদা এয়ারলাইনসে (চায়না ইস্টার্ন, এয়ার চায়না এবং চিংদাও এয়ারলাইনস) আরও যে ছয় দফা বিমানযাত্রা করেছি, সেগুলোতেও যাত্রী নির্বিশেষে সবাইকে হালাল সিলযুক্ত খাবারই দিতে দেখলাম।

অবশ্য দেশটিতে আরও যে ডজন তিনেক এয়ারলাইনস আছে, সেগুলোর কথা জানি না। স্বাগতিক পত্রিকার বন্ধুদের কাছে কেন এবং কবে থেকে এই হালাল খাবার চালু হয়েছে, তা জানার চেষ্টা করেও কোনো উত্তর পেলাম না। তাঁরা আসলে বিষয়টি কখনো খেয়ালই করেননি। আর চৈনিক ভাষা না জানার কারণে কেবিন ক্রুদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথাবার্তা খুব একটা এগোয়নি।

ধর্মের প্রতি চীনা সরকার তথা কমিউনিস্ট পার্টির দৃষ্টিভঙ্গি যে অনেক বদলেছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কয়েক দিন পর গানসু প্রদেশের শহরগুলোতে তার প্রমাণ মিলল। লানঝোতে বেশ বড় একটি মসজিদ চোখে পড়ল, যার সংস্কারে সেখানকার প্রাদেশিক সরকার বিশেষ আর্থিক বরাদ্দ দিয়েছে। মাথায় টুপিওয়ালা পুরুষ এবং স্কার্ফ জড়ানো অনেক নারীকেও রাস্তাঘাটে চোখে পড়ল। লানঝোতেই খুব উঁচু মানের এমন একটি হালাল রেস্তোরাঁয় আমরা খেলাম যে রকমটি ইউরোপেও সচরাচর পাওয়া যাবে না।

আর ওই একই প্রদেশে গোবি মরুভূমির বুকে গড়ে ওঠা ডুনহোয়াং শহরের কাছে বৌদ্ধধর্মের প্রাচীন ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও তার প্রসারে মোগাও গুহার প্রতি প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের যে বিশেষ উদ্যোগ চোখে পড়ল, তা-ও মনে রাখার মতো। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত মোগাও গুহা বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসের এক মূল্যবান সম্পদ। সেটি পরিদর্শনের পর আপনাকে মানতেই হবে যে সেখানকার রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ ধর্মীয় পর্যটনকেও বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।

কুনমিংয়ের বিমানবন্দরটি ঢাকার চেয়ে কয়েক গুণ বড়। বিমানের ভেতরেই একজন বাঙালি রেস্তোরাঁমালিক নিজে থেকেই এগিয়ে এসে তাঁর প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাসংবলিত একখানা কার্ড ধরিয়ে দিলেন। এরপর বেইজিংয়ের ফ্লাইট ধরার জন্য ইমিগ্রেশন পেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে এলেন আরেকজন বাংলাদেশি। তাঁরও কুনমিংয়ে বাংলাদেশি খাবারের রেস্তোরাঁ। বললাম, ‘আমি তো কুনমিংয়ে থাকছি না, অল্পক্ষণের মধ্যেই আমার ফ্লাইট।’ তাঁর জবাব অন্য সময়ে এলে বেড়িয়ে যাবেন। বোঝা গেল কুনমিংয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে ভালোই এবং বাংলাদেশিদের অনেকেই সেখানে নানা ধরনের সম্ভাবনা দেখছেন।

কুনমিং থেকে তিন ঘণ্টার পথ পেরিয়ে রাতে যখন বেইজিং পৌঁছালাম, তখন বিমানের সিঁড়ি থেকে বাসে করে টার্মিনাল ভবনে নিয়ে যেতে সময় লাগল প্রায় ২৫ মিনিট। তাতে বিমানবন্দরটির আয়তন সম্পর্কে সামান্য ধারণা পেলেও তার বিশালত্বটা বুঝতে পারলাম পরের সপ্তাহে যখন দিনের বেলায় লানঝো যাওয়ার জন্য সেখানে হাজির হতে হলো। বেইজিং বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর। বিমানবন্দরের তুলনাটা কিছুটা প্রতীকীও বটে। কেননা, চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি।

দেশটির অবকাঠামোর উন্নয়নে রীতিমতো একটা উল্লম্ফন ঘটেছে এবং এখনো ঘটছে। প্রতিটি প্রাদেশিক রাজধানীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা হয়েছে। কোথাও কোথাও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসাকেন্দ্রেও নির্মাণ করা হচ্ছে ঝকঝকে বিমানবন্দর, যার লক্ষ্য হচ্ছে সেটিও যেন আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচলের উপযোগী হয়। সে রকম একটি বিমানবন্দর হলো ডুনহোয়াংয়ের বিমানবন্দর। ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের কেন্দ্র হিসেবে ডুনহোয়াংকে ঘিরে সেখানকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের রয়েছে বিরাট পরিকল্পনা। যোগাযোগব্যবস্থায় গতি আনার লক্ষ্যে প্রশস্ত সড়ক এবং রেলপথও চালু হয়েছে।

চীনের অর্থনৈতিক উত্থানকে বিস্ময়কর বলেই অভিহিত করা হয়ে থাকে। এই সাফল্যের মূলে যে রয়েছে বিশ্বায়ন এবং মুক্তবাজার অর্থনীতি, সে কথা চীনা বিশেষজ্ঞ এবং রাজনীতিকেরা অত্যন্ত খোলামেলাভাবেই স্বীকার করে থাকেন। চীনের বিভিন্ন বৃহদাকার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংস্কার এবং বিদেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিওসিআই রিসার্চের চেয়ারম্যান কাও ইয়ানঝেং। তিনি বললেন, ৪০ বছর আগে চীনে ক্ষুধার্তের সংখ্যা ছিল ৩০ কোটি।

 গত ৩৫ বছরের উচ্চ হারের প্রবৃদ্ধির কারণে দেশটির ১৩০ কোটি মানুষ এখন চরম দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে মোটামুটি সমৃদ্ধ সমাজ নির্মাণে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, কমিউনপ্রথায় উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রণোদনা ছিল না। ফলে মানুষ উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহ পেত না। কিন্তু সংস্কারের কারণে সেই অভ্যাস বদলে গেছে। তাঁর ভাষায়, চীনের স্বার্থ এখন বিশ্বায়নেই। চীন এখন বিশ্বের কারখানা। বিশ্বের বৃহত্তম আমদানিকারক এবং একই সঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম রপ্তানিকারক। এই বিশ্বায়ন এবং বাণিজ্যিক আকাঙ্ক্ষাই এখন চীনের মূল চালিকাশক্তি।

চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী ঝাও পাওলি সম্প্রতি বেইজিংয়ে বি অ্যান্ড আর মিডিয়া ফোরামে অংশগ্রহণকারী বিদেশি সাংবাদিকদের বলেন, বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদ অনুসরণের মাধ্যমে কোনো দেশেরই অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। বাণিজ্য উদারীকরণের ক্ষেত্রে তিনি বলেন, চীন বিদেশি কোম্পানি এবং বিনিয়োগকে চীনা কোম্পানিগুলোর মতো সমান সুবিধা দেবে।

আর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো যেসব সুবিধা পায়, বেসরকারি কোম্পানিও সেই একই সুবিধা পাবে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টতই বোঝা যায় বাণিজ্য বাড়াতে চীন বেসরকারি খাতকে এখন কতটা গুরুত্ব দেয়। সেই বাণিজ্যের প্রসার ও তা সহজীকরণের লক্ষ্যে বিশ্বের নানা অংশের মধ্যে অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রকল্প সিল্ক রোডের পুনরুজ্জীবন হচ্ছে চীনের বৈদেশিক নীতির অন্যতম অগ্রাধিকার। অনেকের ভাষায় এটি হচ্ছে প্রেসিডেন্ট সি’র ‘চীনা উন্নয়ন মডেল’ রপ্তানির উদ্যোগ।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের এশিয়া কার্যক্রমের প্রধান ঝাং শি ই জানালেন, তাঁর দেশের সঙ্গে অভিন্ন স্থলসীমান্ত আছে ১৪টি দেশের। সরাসরি সীমান্ত নেই, কিন্তু চীন প্রতিবেশী হিসেবে গণ্য করে এ রকম দেশের সংখ্যা তাঁর হিসাবে ৩০-এর মতো। এদের অনেকের সঙ্গে আছে সামুদ্রিক সীমানা। তবে সমুদ্রসীমাকে কেন্দ্র করে একাধিক দেশের সঙ্গে দেশটির বিরোধও রয়েছে।

এসব সীমান্তবর্তী দেশ এবং তার আশপাশের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই সিল্ক রোড পুনরুজ্জীবনের বিবেচনা এখন চীনের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং দেশটির অগ্রাধিকার এখন অবকাঠামো নির্মাণ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাকেঞ্জির হিসাবে অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করা প্রতিটি ডলার জিডিপিতে ২০ সেন্টে মূল্য সংযোজন করে।

এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) মহাব্যবস্থাপক ফ্যাং কে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে অবকাঠামো খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন। চীনের নানা প্রান্তে তাই চলছে নির্মাণযজ্ঞ। সিল্ক রোডের দেশগুলোকেও তাদের নিজ নিজ দেশে এই অবকাঠামো নির্মাণের ধারায় শামিল করাতে চান তাঁরা। অবশ্য সেই অবকাঠামো নির্মাণের প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগের জোগান যে চীন এককভাবে দেবে না, সে কথাটিও তাঁরা পরিষ্কার করে বলছেন। তাঁদের ভাষায়, সিল্ক রোড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গৃহীত মার্শাল প্ল্যানের দ্বিতীয় সংস্করণ নয়। চীন কোনো দাতার ভূমিকা নেবে না। বরং অংশীদারত্বের কথা বলে চীনা নেতারা বলছেন, সহযোগিতার মাধ্যমেই অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব, যাতে সবাই লাভবান হবে।

যেদিন আমি ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ছাড়ি, তার আগের দিন ২২ সেপ্টেম্বরের চায়না ডেইলির প্রথম পাতায় দ্বিতীয় প্রধান খবর বুলেট ট্রেনের গতি ঘণ্টায় আরও ৫০ কিলোমিটার করে বাড়ল (স্পিড লিমিট রকেটস টু থ্রিফিফটি কিলোমিটার/হাওয়ার)। বেইজিং ও সাংহাইয়ের মধ্যকার ১ হাজার ৩৪৮ কিলোমিটার দূরত্ব পার হতে আগে যেখানে লাগছিল প্রায় ৫ ঘণ্টা, তা সেদিন নেমে এসেছে ৪ ঘণ্টা ২৮ মিনিটে। ওই প্রতিবেদন বলছে, ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে চীনে হাইস্পিড রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২২ হাজার কিলোমিটার। তাদের এখন লক্ষ্য ২০ হাজার কিলোমিটারের পুরোটারই গতি বাড়ানো। এই বুলেট ট্রেনের উন্নয়নই হচ্ছে চীনের চলমান উন্নয়নধারার প্রতীক। মৌলিক উন্নয়ন অনেকটাই হয়েছে, এখন পরবর্তী ধাপে উত্তরণই লক্ষ্য।

বিশাল আয়তনের এই দেশটির সব অংশে যে সমান মাত্রায় উন্নতি সাধন প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। সুতরাং উন্নয়নবৈষম্য রয়েই গেছে। এখন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার এবং কমিউনিস্ট পার্টি তাই নজর দিয়েছে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর উন্নয়নে। এ রকম পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে কী ধরনের উন্নয়ন হচ্ছে, তার একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত হচ্ছে গানসু প্রদেশেরই অন্য দুটি প্রশাসনিক এলাকা বাইয়িন ও লানঝো।

উন্নয়নকে টেকসই করতে চীনা নেতৃত্ব এখন পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি গভীরভাবে অনুভব করতে শুরু করেছেন। সুতরাং নতুন সব উন্নয়ন প্রকল্পকেই এখন পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার শর্তগুলো পূরণ করতে হচ্ছে। সেই চ্যালেঞ্জ কীভাবে সামাল দিচ্ছে চীন, সে প্রসঙ্গে আলোচনা পরবর্তী সময়ে।

কামাল আহমেদ: সাংবাদিক।