আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ১লা অক্টোবর ২০১৭ ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি দেশের সকল প্রবীণের সুস্বাস্থ্য, মর্যাদাপূর্ণ জীবন এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা করছি।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ঝঃবঢ়ঢ়রহম রহঃড় ঃযব ঋঁঃঁৎব : ঞধঢ়ঢ়রহম ঃযব ঞধষবহঃং, ঈড়হঃৎরনঁঃরড়হং ধহফ চধৎঃরপরঢ়ধঃরড়হ ড়ভ ঙষফবৎ চবৎংড়হং রহ ঝড়পরবঃু’ অর্থাৎ ‘ভবিষ্যৎ অগ্রসরে : সমাজে প্রবীণদের দক্ষতা, অবদান এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রবীণ জনগোষ্ঠী দেশের মোট জনসংখ্যার একটি সংবেদশীল ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। কর্মময় জীবনে নিজ নিজ পরিবার, সমাজ ও দেশ গঠনে তাঁরা অত্যন্ত নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করেছেন। আজকের এই সমাজ বিনির্মাণে তাঁদের ভূমিকাই মুখ্য। তাই জীবনসায়াহ্নে মর্যাদার সঙ্গে তাঁদের পরিচর্যা ও কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা রাষ্ট্র, পরিবার তথা সমাজের অবশ্য কর্তব্য।

আমাদের সরকার প্রবীণদের সার্বিক কল্যাণে নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বয়স্কভাতা কর্মসূচি, জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ এবং পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়েছে। আমরা প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তার প্রতিটি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছি। এছাড়া প্রবীণ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গঠনের মাধ্যমে প্রবীণসেবা কর্মসূচি আরো গতিশীল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আমি আশা করি, প্রবীণদের কল্যাণে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রচেষ্টাসমূহ আরো বেগবান হবে। সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে আমরা প্রবীণদের জন্য একটি সুখী ও সুন্দর পৃথিবী উপহার দিতে পারব।

আমি ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০১৭’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”