লক্ষীপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

লক্ষীপুর প্রতিনিধি: লক্ষীপুরে সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে মারধরের বিচার দাবি ও সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন জবুর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হয়েছে। শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে লক্ষীপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

রফিকুল ইসলাম স্থানীয় দৈনিক লক্ষীপুর কন্ঠের সম্পাদক ও ইসমাইল হোসেন জবু জাতীয় দৈনিক খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের মো. কাউছার, প্রথম আলোর জাহাঙ্গীর আলম, সময় টিভির মাহবুবুর রহমান, ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের আব্বাছ হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সাইফুল ইসলাম স্বপন, জেটিভি অনলাইনের রুবেল হোসেন, দৈনিক আলোকিত সময়ের জামাল উদ্দিন বাবলু, খোলা কাগজের জামাল উদ্দিন রাফি, বণিক বার্তার রাকিব হোসাইন রনি ও শীর্ষ সংবাদ অনলাইনের সম্পাদক নজরুল ইসলাম জয় প্রমুখ।

এসময় বক্তারা সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে মারধরের সুষ্ঠু বিচার দাবি ও সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন জবুর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদ জানান। এছাড়া যতদিন পর্যন্ত সুষ্ঠু বিচার না দেওয়া হবে ততদিন পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।

আহত সাংবাদিক ও স্থানীয়রা জানায়, উত্তর জয়পুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বিভিন্ন প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে দৈনিক লক্ষীপুর কন্ঠ ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এর জের ধরে শুক্রবার দুপুরে আবুল কাশেম মোবাইল ফোনে তার বাড়িতে সাংবাদিক রফিককে ডেকে নেয়। এসব সংবাদ প্রকাশ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান ও তার অনুসারীরা রফিককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। আবুল কাশেম ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে দলীয় ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে ইউনিয়নবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চেয়ারম্যান ও তার অনুসারীদের ভয়ে এলাকার নিরীহ লোকজন মুখ খুলছেনা।

অন্যদিকে, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ কয়েকজন বখাটের ছবি ধারণ করেন সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন জবু। এর জের ধরে সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন জবুর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে সদর উপজেলার আটিয়াতলি গ্রামের মহিউদ্দিন সুমন।