জিয়া ট্রাস্ট মামলায় মুন্নার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নি্উজ ডেস্ক: আদালতের অনুমতি নিয়ে দেশের বাইরে গিয়ে ফিরে না আসায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পলাতক আসামি বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর সাবেক একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্নার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান বৃহস্পতিবার মুন্নার জামিন বাতিল করে পরোয়ানা জারির এ আদেশ দেন। রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে এ মামলার বিচারকাজ চলছে।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, গত ২৪ আগস্ট জিয়াউল ইসলাম মুন্না আদালতের অনুমতি নিয়ে এক মাসের জন্য বিদেশে যান। তার বিদেশে থাকার মেয়াদ শেষ হয় গত ২৩ সেপ্টেম্বর। কিন্তু তিনি বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

এরপর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ এ মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার আসামিপক্ষের আইনজীবী টি এম আকবর মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক নুর আহমেদকে জেরা করেন। এই দুই মামলায় শুনানির পরবর্তী তারিখ রাখা হয়েছে আগামী ৫ অক্টোবর।

এ দুটি মামলার প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও চিকিৎসার জন্য গত ১৫ জুলাই থেকে দেশের বাইরে রয়েছেন। তার পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার।