রোহিঙ্গা শিবিরে পাচটি অসুবিধা

সাভার প্রতিনিধি:- আব্দুল মোতালেব: আমাদের ঢাকা নিউজের২৪.কম এর সাভার প্রতিনিধি নিজে ১২ সদস্যের টিম নিয়ে গিয়েছিলেন কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং শরনার্থী শিবিরে। তিনি ওইখানে তার টিম নিয়ে পাঁচ সাত দিন অবস্থান করে যা তিনি পর্যবেক্ষণ করছেন তার মধ্যে রোহিঙ্গাদের চারটি অসুবিধা –

১। রাতের বেলায় অন্ধকার। কারণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নেই।
২। বৃষ্টির কারণে মাটি শ্বেত শ‌্বেতে ভিজা।
৩। সেনিটেশন ব্যবহার অভাব।
৪। চরম ক্ষুদার যন্ত্রণা। ৫। বিশুদ্ধ পানির অভাব।

অনেক দূর-দূরান্ত থেকে পায়ে হেটে আসা রোহিঙ্গারা প্রায় পাগল পারা। আমরা যে শুকনো চাউল দিয়েছি তা তারা ক্ষুদার যন্ত্রণায় সাথে সাথে কাচা চিবিয়ে খেয়েছে। এখানে পুরানদের দাপটে নতুনরা কোন সাহায্য নিতে পারছে না। যদি কোন খাদ্য বা বস্ত্রের ট্রাক ঐইখানে যায় তাহলে পুরাতন রোহিঙ্গারা গাড়ীর চতুর দিকে ভিড় করে। কারণ তাদের গায়ে বল আছে। আর নতুন রোহিঙ্গা ক্ষুদার্থরা কাছে ভিড়তে পারছে না।

সারা রাত অন্ধকারে নতুন রোহিঙ্গা মায়েরা শিশু বা”চা কোলে নিয়ে কাদা-মাটির রাস্তায় এদিক থেকে সেদিক ছুটাছুটি করছে। কোন-কোন মায়ের সাথে শূণ্য থেকে পাচঁ সাত বছরের শিশুরাও রয়েছে, কাউকে কিছু বলতে পারছে না। পুরানরা পলিথিনের শিবিরে একটু নিরাপদে আছে। নতুনদের প্রতি পুরানদের দরদ তেমন নাই। আর যারা আরাকান থেকে সাথে গরু ছাগল নিয়ে এসেছে তাদের জন্য ওখানেই হাট বসছে। কিন্তু উখিয়া এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এগুলোর ন্যয্য মুল্য দিচ্ছে না। যে গরুটির মূল্য ত্রিশ হাজার টাকা সেটা তারা কিনে নিচ্ছে পাঁচ-সাত হাজার টাকা দিয়ে।

রোহিঙ্গারা যে অসুবিধায় আছে তা নিজের চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না। এখানে আইন শৃঙ্খলার ব্যবস্থার সমন্বয়হীনতার অভাব। যার কারণে ত্রান কেউ পায় কেউ পায় না। ওখানকার অনেকে মনে করেন যদি সেনাবাহিনীর উপরে সমস্ত দায়িত্ব অর্পণ করা যায় তাহলে একটি ওইখানে সুশ”ড়খল পরিবেশ ফিরে আসবে। ঢাকা নিউজ২৪.কম এর পক্ষে সাভার প্রতিনিধি আব্দুল মোতালেব এর সাথে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণের সময় সাথে ছিলেন সাভারের উদীয়মান সমাজসেবক মোঃ মাহবুব আলম (সুলতান) এবং সাভার পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল আলম (জনী) ও বিভিন্ন কলেজের ছাত্রবৃন্দ।