ফোরজি গাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন

নিউজ ডেস্ক:  ফোরজি গাইডলাইনে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার এই অনুমোদন শেষে প্রধানমন্ত্রীর দফতর হতে তা ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠিয়ে দেয়া হয়। টেলিযোগাযোগ বিভাগ ইতোমধ্যে তা নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসির কাছে পাঠিয়েছে।

আর এই অনুমোদন দেশে ফোরজি চালুর প্রক্রিয়ায় অনত্যম অগ্রগতি। বিটিআরসি কর্মকর্তারা বলছেন, গাইডলাইন চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় এখন ৯০ দিনের মধ্যে নিলামের চেষ্টা করা হবে।

এর আগে সংশোধিত গাইডলাইনে ফোরজির লাইসেন্স ফি কমিয়ে ১০ কোটি টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন ফি করা হয় ৫ কোটি টাকা।

প্রথমে এই ফি ছিল যথাক্রমে ১৫ কোটি ও সাড়ে ৭ কোটি টাকা। পরে এ দুটি ফি সংশোধন করে তা নীতিমালায় যুক্ত করা হয়।

অনুমোদিত গাইডলাইন অনুয়ায়ী স্পেকট্রাম নিলামে ৯০০ এবং ১৮০০ ব্যান্ডের ফ্লোর প্রাইস হবে ৩ কোটি ডলার আর ২১০০ ব্যান্ডের জন্য হবে দুই কোটি ৭০ লাখ ডলার।

৯০০ ও ১৮০০ ব্যান্ডের প্রযুক্তি নিরপেক্ষাতার সেবার জন্যে এর আগে বিটিআরসি মেগাহার্জ প্রতি এক কোটি ডলার প্রস্তাব করলেও সংশোধিত ও অনুমোদিত গাইডলাইনে তা ৭৫ লাখ ডলার রয়েছে।

এছাড়া ১৮০০ ব্যান্ডের যে সকল স্পেকট্রাম সম্প্রতি বাতিল করা হয়েছে তা নতুন করে বরাদ্দ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভূক্ত করে নিলামে তোলার বিষয়টিও গাইডলাইনে আছে।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ফোরজিতে শুধু মাত্র সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হবে আগে এমন শর্ত দেওয়া হলেও সংশোধনে তা প্রত্যাহার করা হয়। যেখানে অপারেটররা চাইলে এখন হতে দেশী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েও বিনিয়োগ করতে পারবেন।

চূড়ান্ত গাইডলাইনে বলা হয়েছে ফোরজি সেবা যারা গ্রহণ করবেন তাদের ব্রাউজিং কার্যক্রমসহ বিভিন্ন তথ্য এক যুগ সংরক্ষণ রাখতে হবে।

আর এসব সংশোধনসহ গাইডলাইনটি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হয়েছিল। অনুমোদন হয়ে আসা গাইডলাইনে এরপর আর কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিকম বিভাগেরও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।