লায়নের ঘূর্ণিতে ১৫৭ রানে অলআউট বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক:  আবারো নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন মাত্র ৮৬ রান।

লায়ন বাংলাদেশে তার কার্যকরিতা অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৬০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসের ৭ উইকেট মিলিয়ে এই টেস্টে ১৩ উইকেট শিকার করলেন তিনি।

খেলার চতুর্থ দিনে ৩৭৭ রানে আটকে রেখে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করে বাংলাদেশ। ৭২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামে টাইগাররা। কিন্তু শুরুতেই সৌম্য সরকার মাঠ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর তামিম ইকবালও হতাশ করেন ঘরের দর্শকদের। টানা চতুর্থ ইনিংসেও ব্যর্থ ইমরুল কায়েস। তিনিও বিদায় নেন লিওনের বলে। এরপর একে একে সাকিব আল হাসান ও নাসিরের বিদায়।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র ৯ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ম্যাট রেনশর ক্যাচ হন সৌম্য। ১১ রানে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে অজিরা। এরপর তামিম ৩৮ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর ইমরুলকে ১৫ রানে শিকার বানান লিওন। সাকিবও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রানে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেয় লিওনের শিকার তিনি। পরের ওভারে ও’কিফের বলে মাত্র ৫ রানে ফার্স্ট স্লিপে স্টিভেন স্মিথকে ক্যাচ দেন নাসির।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র ৯ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ম্যাট রেনশর ক্যাচ হন সৌম্য। ১১ রানে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে অজিরা। এরপর তামিম ৩৮ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর ইমরুলকে ১৫ রানে শিকার বানান লিওন। সাকিবও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রানে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেয় লিওনের শিকার তিনি। পরের ওভারে ও’কিফের বলে মাত্র ৫ রানে ফার্স্ট স্লিপে স্টিভেন স্মিথকে ক্যাচ দেন নাসির।

এছাড়া অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩১, সাব্বির রহমান ২৪, মোমিনুল হক ২৯, তাইজুল ইসলাম ৪ ও মুস্তাফিজুর রহমান শূন্য রানে আউট হন। মেহেদি হাসান মিরাজ ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। নাথান লায়ন ৬টি, প্যাট কামিন্স ও স্টিভ ও’কেফি ২টি করে উইকেট নেন। ঢাকায় প্রথম টেস্ট জিতে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ।