বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব সাফারি পার্কে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

নিউজ ডেস্ক:  গাজীপুরের শ্রীপুরে ঘন সবুজ প্রকৃতিতে বন্য পরিবেশে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব সাফারি পর্কে প্রাণী পরিদর্শন দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। ঈদের দ্বিতীয়-তৃতীয় দিনেও ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পরা ভীর। নগর জীবনের কুলাহল আর ব্যস্তার ফাঁকে একটুকু নির্মল আনন্দ পেতে সব বয়সীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়েছিল পুরো পার্ক এলাকা।

পার্ক সূত্রে জানাযায় পার্কে এবার ঈদে নতুন আনন্দের মাত্রা দিয়েছে হাতির সাবক সহ বাঘ, জেব্রা, জিরাফ, গয়ালা, সিংহ সাবক সহ দূর্লব প্রানী আর পাখির সাবক। পার্কের উন্মোক্ত পরিবেশে বিশেষ গাড়ীতে চরে আফ্রিকান কোর সাফারীতে বাঘ সিংহ সহ হিংস্রর প্রানী পরিদর্শন করতে দীর্ঘ লাইনে ছিল দশনার্থীদের প্রচণ্ড ভীর। ঈদের দিন দর্শনার্থীদের ভীর তেমন চোখে পরেনি। ঈদের দ্বিতীয় দিনে তীব্র তাপ আর অসহনীয় গরম উপেক্ষা করে প্রায় বিশ সহাস্রাধিক দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত ছিল পুরো পার্ক প্রাঙ্গন। তৃতীয় দিনেও সকাল থেকে বাড়তে থাকে দর্শনাথীরা।

স্বপরিবারে বন্ধু বান্দব নিয়ে পার্ক বিনোদনে সবুজের সাহ্নিদ্ধে সকলেই মিলিয়ে যান নির্মল বিনোদনে। ঘুরে ঘুরে দেখেন আফ্রিকান সাফারি, কোর সাফারি, হিংস্র প্রাণী দূর্লভ পাখি। লেকে পানিতে রং বেরংয়ের মাছ নজর কারে। রয়েছে পেডেল বোটে চরার সুযোগ। হাতি চড়তে ভুল করে না ছেলে বুড়ো কেহই।

শিশুপার্কে বিভিন্ন রাইডে চড়ে নির্মল আনন্দে মেতে ওঠেন বিনোদনপ্রেমী শিশুরা। শিশুদের সঙ্গে আসা অন্যরাও গল্প আড্ডায় মেতে ওঠেন। বিভিন্ন রাইড ছাড়াও খোলা মাঠে সবুজ ঘাসের আকর্ষণও কম ছিল না।

পার্কসূত্রে জানা যায় প্রতিদিন প্রায় বিশ হাজার দর্শনার্থী পাক ভ্রমনে অসেন। যা ধারণ ক্ষমতার প্রায় চার গুন। ঈদের আমেজ থাকা পর্যন্ত পার্কে দর্শনার্থীদের ভীর থাকবে।পার্কে আসা দর্শনাথীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দর্শনার্থী পার্কে এলেও তাদের পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা নেই। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি, প্রতিবন্ধি, শিশুদের জন্য নেই বিশেষ ব্যবস্থা।

পার্কের পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারি বন সংরক মো.সাহবুদ্দিন জানান, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছেন। রয়েছে পার্কের নিজস্ব ভিজিলেন্স টিম। আশা করি ভ্রমণ প্রিয় মানুষদের জন্য বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক সেরা পার্কের তালিকায় জায়গা করে নিবে।