দেশটা বিভীষিকাময় রাজ্যে পরিণত হয়েছে : রিজভী

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, দেশটা গুম রাজ্যে পরিণত হয়েছে। সরকারের মদদে আজ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হত্যা-গুম-খুনের মাধ্যমে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। সরকার তার অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষে এ ধরনের অপরাধ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিখোঁজ ২০ দলীয় জোট নেতা ও কল্যাণ পার্টি মহাসচিব এম.এম. আমিনুর রহমানের সন্ধানের দাবিতে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সব অপরাধের মাধ্যমে যে ঋণের বোঝা তৈরি হচ্ছে তা জনতার আদালতে শোধ করতে হবে। জনরোষেই সরকারের পতন হবে।

কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টি চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনপিপি মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, লেবার পার্টি মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ইসলামিক পার্টি যুগ্ম মহাসচিব মাহমুদুল হাসান, ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, নগর সদস্য সচিব মো. শহীদুননবী ডাবলু, কল্যাণ পার্টি ভাইস চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব মো. নুরুল কবির ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেদ ফেরদৌস সোহেল মোল্লা, দফতর সম্পাদক আল আমিন ভূইয়া রিপন, মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুছা মিয়া মজুমদার।

কল্যাণ পার্টি মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমানকে খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়ে রিজভী বলেন, গুম-খুন করে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। গণআন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারের পতন ঘটবে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সরকার কিলিং মিশনে ব্যবহার করছে দাবি করে তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বেআইনি অস্ত্র দিয়ে বা আইনি অস্ত্র দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না এটা পূর্বে অনেকবার প্রমাণিত হয়েছে। অথচ সরকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দলীয় পেটুয়া বাহিনীতে পরিণত করেছে। টাকা দিয়ে র্যাবের মতো বাহিনীকে কিলিং মিশনে নামিয়েছে।

যারা সরকারের গুণকীর্তন করে তারা বরাবর মন্ত্রিত্ব পায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা ৭২ থেকে ৭৫ সালে সরকারের গুণকীর্তন করেছে তাদের অনেকে শেখ মুজিব হত্যার পরও মন্ত্রিত্ব পেয়েছে। বর্তমানেও যারা সরকারের অনৈতিক কাজের স্তুতি গাইছে তারা মন্ত্রী হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, আমিনুর রহমানের মত এজন নিরেট ভদ্র রাজনৈতিক নেতা যেখানে ঘুম হয়ে যায়, সেখানে দেশের ভবিষ্যৎ কি ?