দিনাজপুরে ক্রেতার তুলনায় গরুর আমদানি বেশি, দাম কম

নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে দেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরের কোরবানির পশুর হাট। হাটগুলোতে ক্রেতার তুলনায় পশুর আমদানি বেশি হওয়ায় দাম তুলনামূলক কম। আর কম দামে পশু কিনতে পেরে ক্রেতারা খুশি। ভারতীয় গরুর সরবরাহ বেশি এবং বন্যার জন্য দাম কম বলে দাবি খামারি ও বিক্রেতারা। এদিকে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রধান হাটগুলোতে বসানো হয়েছে মেডিকেল টিম বল জানায় প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

দেশের উত্তরের সীমান্ত জেলা দিনাজপুরে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সবকটি উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসেছে। জেলায় কোরবানির গরুর চাহিদা ৮২ হাজার। আর গরু পালন হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার। এতে হাটগুলোতে ক্রেতার তুলনায় পশুর সরবরাহ বেশি হওয়ায় বাজারে দাম কিছুটা কম। আর কম দামে পশু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।

অন্যদিকে তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় লোকসান গুণতে হচ্ছে খামারি ও বিক্রেতাদের। দাম কম হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে শেষ মুহূর্তে ভারতীয় গরুর অধিক্যকে দায়ী করছেন তারা।

এদিকে হাটগুলোতে জাল টাকা শনাক্তকরণে কোন ব্যবস্থা না থাকায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে।

সাম্প্রতিক বন্যায় গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় পশুর দাম কম বলে জানালেন জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, ‘গো খাদ্য সংকটের কারণে অনেক খামারি তাদের গরু বিক্রি করে দেয়ার কারণে বাজারে গরুর দাম ক্রেতার সহনীয় পর্যায়ে আছে।’

জেলার ১৩টি উপজেলায় স্থায়ী হাট ৪১টি আর অস্থায়ী হাট বসেছে ৩৯টি। বড় হাটগুলোতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৭টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।