আওয়ামী লীগ রোহিঙ্গাদের ঢুকতে দিচ্ছে না: বিএনপি

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ রোহিঙ্গা মুসলিম ভাই বোনদের আশ্রয় দিতে সরকারের প্রতি বিএনপির পক্ষ থেকে জোর দাবি জানিয়ে বলেছেন, একদিকে সাগর, অন্যদিকে শয়তান (মিয়ানমারের সেনাবাহিনী)। নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমরা কোথায় যাবেন? রোহিঙ্গাদের একটাই অপরাধ, তারা মুসলিম। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে রোহিঙ্গারা নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তখন তিনি তাদেরকে থাকতে দিয়েছেন, খাবার দিয়েছেন, ওষুধ দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার মুসলিম বিরোধী হওয়ায় অসহায় নিপীড়িত রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশে ঢুকতে দিচ্ছে না। তাদের সঙ্গে পশুর মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। তাদের কান্না আওয়ামীলীগের কানে পৌছাচ্ছে না।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতিশীল, শুধু এই সরকার নয়। রোহিঙ্গারা যখন মিয়ানমারে নির্যাতিত হয়ে সমুদ্র পার হয়ে বাংলাদেশে আসছে, সীমান্তে তাদের বাধা দেয়া হচ্ছে। তাদের কী বাঁচার অধিকার নেই? বিদেশি সংস্থাগুলোরও কোনো ভূমিকা দেখতে পাচ্ছি না। বিএনপির পক্ষ থেকে দাবী জানাচ্ছি তাদের ফেরাবেন না। আশ্রয় দিন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মঙ্গলবার ‘বিচার বিভাগকে আক্রমণ করে আওয়ামী দুঃশাসনকে দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন’ শীর্ষক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন। মানববন্ধনের আয়োজন করে অপরাজেয় বাংলাদেশ।

রিজভি বলেন, আদালতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের মৌন যুদ্ধ চলছে। ষোড়শ সংশোধনী রায়ের পর্যবেক্ষণে জনগণের মনের কথা বলায় তাদের গায়ে জ্বালা শুরু হয়েছে। তাদের দলের প্রতিটি নেতা তার সমালোচনা করছেন। শুধু তাই নয় তারা দুদক, এনবিআরকে তার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে ধমক দিতেই প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা গওহর রিজভীকে পাঠানো হয়েছিল। গওহর রিজভীকে আমরা ভালোভাবে চিনিও না, তার বাড়ি উত্তর প্রদেশে। তিনি ভাল করে বাংলা বলতে ও লিখতে পারেন না।

ফরিদা মনি শহীদ উল্লার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন সেলিম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমত উল্লাহ, খালেদা ইয়াসমিন, বাগেরহাট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, জিনাপের সভাপতি মিয়া মো. আনোয়ার, ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, কৃষক দল নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ।