শক্তিশালী বস্ত্র ও পোশাকখাত তৈরিতে কাজ করছে সরকার: মির্জা আজম

নিউজ ডেস্ক: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, ‘উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান, রপ্তানি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব বস্ত্র ও পোশাকখাত বিকশিত করে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাসক্ষম শক্তিশালী বস্ত্র ও পোশাকখাত তৈরিতে কাজ করছে সরকার।’

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজ বস্ত্র নীতি-২০১৭ এ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের তত্ত¡াবধানে গঠিত উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন ।

সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, বস্ত্র পরিদপ্তরের পরিচালক ইসমাইল হোসেন, বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আহমেদ জাকারিয়া, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, এফবিসিসিআই, বিটিএমএ ও বিকেএমইএ এর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন ।

তিনি আরো বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বস্ত্রখাতের অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং এর স্টেকহোল্ডারগণ যেমন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএকে নিবিড়ভাবে একসাথে কাজ করতে হবে। ‘বস্ত্র আইন-২০১৭’ মন্ত্রী সভায় অনুমোদিত হয়েছে। আশা করা যায়, আগামী সংসদ অধিবেশনে আইনটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। এছাড়াও দেশের বস্ত্র খাতকে আরো প্রতিযোগিতা সক্ষম ও দক্ষভাবে গড়ে তোলার জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সবধরনের সেবা দিতে প্রস্তুত।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বস্ত্র খাত থেকে রফতানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নতি করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বিরাষ্ট্রীয়করণের মাধ্যমে বেসরকারি খাতে দিয়ে দেয়া অনেক বস্ত্রকল বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। বেসরকারি খাতে দেয়ার সময় যেসব শর্ত দেয়া হয়েছিল সেসব শর্ত ভঙ্গকারীদের থেকে বস্ত্রকল আবার ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। এসব বস্ত্রকল যেসব জমির উপর প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরা চাইলে পিপিপি (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিজ দেয়া হবে। দেশে বস্ত্রখাতে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য প্রতিটি বৃহত্তম জেলায় একটি করে টেক্সটাইল কলেজ এবং প্রতিটি জেলায় একটি করে ভকেশনাল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট নির্মাণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ।