মোবাইল ফোনের প্যাকেজের নামে পকেট হাতিয়ে নেওয়া বন্ধ কর

নিউজ ডেস্ক: মোবাইল এন্ড ইন্টারনেট ইউজার্স সোসাইটির(এমআইইউএস)উদ্যোগে গ্লোবচেম্বার, মতিঝিলে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সমস্যা শীর্ষক ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা শনিবার বিকালে সংগঠনের চেয়ারম্যান লতিফুল বারী হামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচকরা মোবাইল ফোনের প্যাকেজ সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।

মতবিনিময় সভার শুরুতে লতিফুল বারী হামিম বলেন কোন উ্যসব কিংবা দিবস আসলেই মোবাইল ফোন প্রভাইডাররা ব্যাস্ত হয়ে যান আর্কষনীয় নতুন প্যাকেজ ঘোষনা করার জন্য । তৈরী করা হয় নতুন বিঙ্গাপনের সৃষ্ট হয় নতুন চমক । মোবাইল ব্যবহারকারীরাও হুমরি খেয়ে পড়ে নতুন প্যাকেজের প্রতি । যারা বা যে কর্তৃপক্ষ নতুন আরো একটি প্যাকেজের অনুমতি দিলে তারা কি জানে ইতিমধ্যে কতগুলি প্যাকেজ বা অফার দিয়ে রেখেছে । আর কত প্যাকেজ বা অফার দিবে মোবাইল ফোন প্রভাইডাররা । এর কোন সংখ্যা র্নিধারন করার প্রয়োজন আছে কী ? ওরা আর কত প্যাকেজ বা অফারের নামে সাধারন মানুষের পকেট হাতিয়ে নিবে । সরকার বা বিটিআরসির কিছুই করনীয় নাই ? অনতিবিলম্বে মোবাইল ফোনের কল রেট কমানোর দাবী জানান ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জনাব আলী জামান, চৌধুরী নুরুল হুদা, মো. কামাল উদ্দীন, মো জামাল উদ্দীন, মো ওয়াহিদুজ্জামান, সাইফ উদ্দিন মো. পারভেজ (সোভন), মোহাম্মদ হোসাইন ফাহমী, সাইদ আজাহার, এজাজ রহমান, তাইজুল ইসলাম সবুজ, নুর মোহাম্মদ প্রমুখ ।

বক্তারা বলেন বিভিন্ন মোবাইল ফোন প্রভাইডারদের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১২ কোটি সিম সচল রয়েছে । আমাদের মোট জনসংখ্যার অধিকাংশ মোবাইল ব্যবহার করে । ব্যবহারকারীর অধিকাংশ সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত তাদের পক্ষে এত সমস্ত প্যাকেজ বা অফার নিয়ে মাথা ঘামানে সম্ভব না । ব্যবহার কারীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে সুচতুর মোবাইল কো. কর্মকর্তারা কিছুু অসাধু দূনীতিবাজ সরকারী কর্মকর্তাদের যোগসাযোষে পকেট হাতিয়ে নিচ্ছে ।

বক্তারা আরো বলেন এ সমস্ত অফার বন্ধ করা দরকার। সব কোম্পানির সরল একটা বিক্রয় পদ্ধতি থাকা উচিত যাতে গ্রাহক সহজেই বুঝতে পারে। তাছাড়া মেয়াদ বিষয়টা একেবারে বন্ধ করা উচিত।

বক্তারা এক দেশ এক রেট প্রচলনের দাবী জানান । তারা সারা দেশে সংগঠনের শাখা বিস্তৃত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন । ঈদের পরে দেশের বিশিষ্ঠজনদের নিয়ে কর্মসূচী গ্রহনের আহবান জানান ।