মঠবাড়িয়ায় শিশু উর্মীর খুনীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মধ্য বড়মাছুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর উর্মি আকাতারকে পাশবিক নির্যাতন শেষে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারী বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মঠবাড়িয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকালে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের শহীদ মিনার সম্মূখ সড়কে ঘন্টাব্যাপী মাববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া একযোগে ১৭ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।এতে মঠবাড়িয়া সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ,রাজনীতিক,সাংবাদিক,নিহত শিশু উর্মির পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

শেষে প্রাথমিক শিক্ষক নেতা মো. আবু জাফরের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন,উপজেলা আওামীলীগের সহ সভাপতি আরিফ-উল-হক, শিক্ষক নেত্রী জাহানারা বেগম, শিক্ষক নেতা মো. মোশারফ হোসেন, শিক্ষক শহীদুল ইসলাম, মো. মাইনুল ইসলাম, কাজল দাস, সুমন্ত্র হাওলাদার সুমন, সাইদুল কবির প্রমূখ ।

সনমাবেশে বক্তারা শিশু উর্মি হত্যাকারীর ফাসির দাবী করেন।উল্লেখ্য, মঠবাড়িয়া থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা মঠবাড়িয়া কন্ঠের নির্বাহী সম্পাদক জুলফিকার আমিন সোহেলের ছোট মেয়ে চতুর্থ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী উর্মি আক্তার নিখোঁজের তিনদিন পর গত ২৩ জুলাই সকালে বাড়ির অদুরে ডোবা থেকে গলায় ফাঁস লাগানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।ময়নাতদন্ত রিপোর্টে উর্মীকে পাশবিক নির্যাতন শেষে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে চিকিৎসক জানান।

এ ঘটনায় নিহতের শিশুটির বাবা জুলফিকার আমিন ওইদিন রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ এঘটনায় জিজ্ঞাসা বাদের জন্য উত্তর বড়মাছুয়া গ্রামের কুদ্দস আকনের ছেলে ছগির আকন (৩৫)কে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে এবং দুইদফা রিমান্ডে নিলেও স্বীকারউক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করতে পারেনি।তবে উর্মীর বাবা সাংবাদিক সোহেল আমিন জানান,গেপ্তারকৃত ছগিরই আমার শিশু কন্যাকে পাশবিক নির্যাতনের পরে হত্যা করেছে। কিন্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে দুদফায় রিমান্ডে নিয়েও স্বীকারউক্তি আদায় করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।