জাতীয় পরিষদ ও ই-ভোটিংয়ের পরামর্শ মুক্তিজোটের

নিজস্ব প্রতিবেদক:  বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) আজ ইসির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের সমন্বয়ে জাতীয় পরিষদ গঠন এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা চালু করার প্রস্তাব দিয়েছে। মুক্তিজোটের নেতৃত্ব দিয়েছেন আবু লায়েস মুন্না।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দলটির ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এসব প্রস্তাব দেয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

সংলাপ পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে— দেশের নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের সমন্বয়ে গঠিত এই পরিষদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। এ ছাড়া নিবন্ধিত সব দলের দলীয় প্রধান পরিষদের সদস্য হবেন। রাষ্ট্রপতি পরিষদের অনুমোদন দেবেন।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এই ধরনের প্রস্তাব পাওয়া ইতিবাচক।

জাতীয় পরিষদের কার্যক্রম সম্পর্কে বলা হয়, পরিষদটি নির্বাচন সংক্রান্ত সব আইনকানুন, বিধি-বিধান পর্যালোচনা ও সংস্কার করা এবং নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটির বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

দেশের ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংলাপ করে। আগামী ২৮ আগস্ট বেলা ১১টায় বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল ও বেলা তিনটায় খেলাফত মজলিশ, ৩০ আগস্ট বেলা ১১টায় বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও বেলা তিনটায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ হবে।