আসন্ন ঈদে সাভারের অসম্পূর্ন ট্যানারী পার্কের সঠিক বাস্তবায়ন চায়

সবুজ-এজাজ প্রতিবেদক: আজ ২১ শে আগস্ট সকাল ১০ টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, সাগর রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপ) ও বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার এর যৌথ উদ্দ্যোগে আসন্ন ঈদে সাভারের অসম্পূর্ন ট্যানারি পার্কঃ বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরীর অব্যাহত দুষন দ্রুত নিবারনের দাবিতে সংবাদ সন্মেলন করে।

উক্ত সংবাদ সন্মেলনে উপস্হিত ছিলেন, শরীফ জামিল, (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক ও বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার; আলমগীর কবির, যুম্ম সম্পাদক (বাপা); ডাঃ মো. আব্দুল মতিন, সাধারন সম্পাদক ; মিহির বিশ্বাস, (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক ও বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব; সৈয়দ আবুল মকসুদ, সহ -সভাপতি (বাপা)।

সংবাদ সন্মেলনে বলা হয় দেশের বৃহত্তম একটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ট্যানারী শিল্প।

পৃথবীর অর্ধেকেরও বেশী ট্যানারী শিল্প গড়ে উঠেছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে। এক হিসাব অনুযায়ী ১৯৪০ সালে বাংলাদেশ নারায়নগঞ্জে প্রথম ট্যানারি শিল্প গড়ে উঠে। পরে এটি হাজারীবাগে স্হানান্তর করা হয়। ২৩০ টির বেশী ট্যানারি শিল্প গড়ে উঠেছিল হাজারীবাগে। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে এসব ট্যানারী শিল্পকে সাভারে স্হানান্তর করা হয়।

বর্তমানে এসব ট্যানারী শিল্পের অপরিশোধিত বর্জ্য পদার্থগুলো ক্রোমিয়ামসহ আরো প্রায় ৪০টি ভারি ধাতু নির্গত হয়ে বুড়িগঙ্গা এবং ধলেশ্বরী নদীকে দুষিত করছে। তারা মনে করেন বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদী দুষনের প্রধান কারন ট্যানারি শিল্পের এসব দুষিত বর্জ্য পদার্থ। ফলে নানা ভাবে বিভিন্ন সমস্যয় জড়িয়ে পড়ছে এসব নদীতে বসবাস করা মাছ এবং অন্যান্য প্রানী। সেই সাথে নদীর আশে পাশে বসবাসকারী মানুষও নানা ভাবে সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছে।

তাছাড়া সাভারে এসব ট্যানারি শিল্পে চাকুরীরত কর্মচারীদের কোন আবাসন ব্যাস্হার সুযোগ না থাকায় মানবতার জীবন যাপন করছেন এসব কর্মচারীগণ।

এবারের ঈদে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ পশুর চামড়া সংগ্রহ হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ জানান।তাই এত বিশাল চামড়ার প্রসেজিং করতে সরকারকে দ্রুত গতিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান (বাপা)।

সংবাদ সন্মেলনে তারা সরকারের কাছে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরে বলেন, বৃহৎ এই শিল্পকে বাঁচাতে এবং বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীকে দুষনের হাত হতে রক্ষার্থে সরকার এবং ট্যানারি মালিকদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করেন পরিবেশ আন্দোলন কারী নেতাকর্মীগণ।