বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকারকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা: তোফায়েল আহমেদ

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার কেউ যাতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে না পারে সে জন্যই ১৫ এবং ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। তারা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তকে শেষ করতে।

সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ্য থেকে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু সারা জীবন বাঙালি জাতির জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। অধিকার আদায়ের জন্য তিনি বাঙালি জাতিকে এক কাতারে দাঁড় করিয়েছিলেন, ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি বাঙালি জাতিকে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।

তিনি বলেন, সংগ্রাম শুরুর আগেই বঙ্গবন্ধু লক্ষ্য স্থির করেছিলেন। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগের পরেই তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, পাকিস্তান বাঙ্গালি জাতির জন্য সৃষ্টি হয়নি, পাকিস্তানি কাঠামোর মধ্যে বাঙালি জাতির অধিকার আদায় করা যাবে না। বাঙালিদের ভাগ্যনির্ধারক, বাঙালিদেরই হতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৮ সালে থেকে দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ৪ হাজার ৬৮২ দিন জেল খেটেছেন। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ৬ দফা ঘোষণা করে তিনি এর পক্ষে জনমত তৈরীর জন্য দেশের সকল অঞ্চল সফর করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তিনি নিজেই তা প্রমাণ করেছেন।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশীদকে এমপি বানিয়ে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বানিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রীও বানিয়েছিলেন তিনি।’