মধ্যাঞ্চলে বন্যার অবনতি, ফেরি চলাচল ব্যাহত

নিউজ ডেস্ক: পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় পদ্মা ও এর শাখা নদী বেষ্টিত মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। তীব্র স্রোতে মাওয়া ও পাটুরিয়ায় ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল। ব্রহ্মপুত্র-যমুনাতে পানি কমলেও এখনো তা বিপদসীমার ওপরেই রয়েছে। কুড়িগ্রামে তিনজন, গাইবান্ধায় দুইজন ও নওগাঁতে দুইজন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল ফের প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র গতকালের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমূহের পানি সমতলে হ্রাস পাচ্ছে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতলে বৃদ্ধি আগামী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি সমতলে হ্রাস আগামী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমূহের পানি সমতলে হ্রাস আগামী ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন  বলেন, পানি কমছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে। আমরা আশা করছি আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত কম হবে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সে রকমই পূর্বাভাস দিয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের অন্য একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরও বাংলাদেশ সন্নিহিত ভারতীয় অঞ্চলগুলোতে আগামী কয়েকদিন কম বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।