প্রতি উপজেলায় পুষ্টিবিদ নিয়োগ করা হবে: চুমকি

ঢাকা, ২ ভাদ্র (১৭ আগস্ট ) : মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, সরকার প্রতি উপজেলায় একজন করে পুষ্টিবিদ নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হেটেলে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে পুষ্টি চালের কার্যকারিতা বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতি মাসে সারা দেশে ১০ লাখ হতদরিদ্র নারীকে ৩০ কেজি করে চাল প্রদান করে এবং ৮ লাখ হতদরিদ্র মাকে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করে । বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে কোন খাদ্যাভাব নেই কিন্তু এখনও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এখনও বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক নারী পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। এ সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার হতদরিদ্র নারীদের মাঝে পুষ্টি চাল বিতরণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৩৫টি উপজেলায় পুষ্টি চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ পুষ্টি চাল বিতরণ সম্প্রসারণ করা হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদা শারমিন বেনুর সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্র্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্রিস্টা রাডার (ঈযৎরংঃধ জধফবৎ)। পুষ্টি চালের কার্যকারিতা বিষয়ক গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন আইসিডিডিআরবি‘র নিউটিশন ও ক্লিনিক্যাল সার্ভিস বিষয়ের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডা. তাহমিদ আহমেদ।