সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবাধিকার লংঘনকারী দিবস ১৫ আগস্টের তাৎপর্য

তাইজুল ইসলাম সবুজঃ ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবাধিকার লংঘনকারী সামরিক শাসক গোষ্ঠী হত্যাকারীদের ফাঁসি কার্যকর করা হয় আইনের সু-শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাতার পরিবারের প্রতি যে মানবাধিকার লংঘন হয় তাহা যেন ভবিষ্যতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেই অর্থে বঙ্গবন্ধু ‘‘ল’’ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন প্রফেসর ড. মিয়া মোঃ আনোয়ার হোসেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এর আদর্শে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতে আইনের সু-শাসক প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে, বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজ বাংলাদেশে বাঙ্গালীদের বন্ধু বঙ্গবন্ধু নামের তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা ইতিহাস থেকে যাহাতে মুছে না যায়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা ভিম্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকে জাতির জনকের নাম অবিস্মরণীয় করে রাখার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজ নাম করা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলাদেশ আইন শিক্ষার বর্তমান প্রেক্ষাপটে তেমন অর্থবহ নয়। আইনজীবিদের আইনাঙ্গনে যতটুকু শিক্ষার প্রয়োজন তা পূর্ণতা দেওয়া হয় নাই। সেই শূণ্যতাকে দেওয়া হয় নাই। সেই শূণ্যতাকে পূর্ণ করতে বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজ নামে প্রতিষ্ঠান ১৯৯৭ইং সনের ২ শে জুন প্রতিষ্ঠা লাভ করে যোগ্য, দক্ষ সুশিক্ষিত আইনজ্ঞ উপহার দেওয়া একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা করেন অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ার হোনে, বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন , এলএলবি, এলএল.এম (ডি.ইউ), এম.কম (ডি.ইউ), পিজিডিপিএম, এফআইপিএম, এম.পিল. পিএইচডি, এ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট। তিনি এজিবি কলোনী সংলগ্ন অত্র মতিঝিল শিক্ষাঙ্গনে বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন আইনঙ্গ শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে উদীয়মান ছাত্র-ছাত্রী আগামী দিনের আইনজীবি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আইনের সু-শাসন প্রতিষ্ঠা করবে এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে এদেশের বিচার বিভাগের ন্যায় বিচার পরিচালনা করবে জাতীয় বাংলাদেশ বিগত কয়েক বছর যাবৎ সর্বোচ্চ পাশের অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিগত বছর সমূহে প্রায় পাশের হার ৯০% হতে বিশ্ববিদ্যালয় ফাফলে সমগ্র ৯৮% এ দাঁড়িয়েছে।

ল’ কলেজ মতিঝিল এজিবি কলোনী সংলগ্ন সহ ড. এম.এম আনোয়ার ল’ কলেজ ঢাকা, বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজ চট্টগ্রাম বর্তমান বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা চলছে, যাহাতে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের সুবিধার্থে প্রতিষ্ঠা করা হবে। বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের প্রধান বৈশিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, বিজ্ঞ বিচারক বিজ্ঞ আইনজীবি ও এদেশের সর্বোত্তম আইন শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা দেওয়া হয়, নিয়মিত ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। সুবিধা জনক যাতায়াত ব্যবস্থা প্রয়োজনে মেয়েদের জন্য আলাদাভাবে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন, মানবাধিকার, আইন প্রশিক্ষন ও আইনজীবি হিসাবে গড়ে তোলার জন্য প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে, শিক্ষা সফর বিনোদনের ব্যবস্থা আছে, ছাত্র/ছাত্রীদের পাশের নিশ্চয়তা বিধান করতে সাজেশন সহ সকল প্রকার সহযোগীতা প্রদান করা হয়, বাংলা ও ইংরেজী উভয় মিডিয়ামে শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা লেখা পড়া করার সুযোগ আছে। উল্লেখ বিষয় এলএলবি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী আইন বিজ্ঞান, চুক্তি আইন ও টর্ট আইন, ইসলামিক আইন বিজ্ঞান ও মুসলিম আইন, ইকুইটি, ট্রাষ্ট, হিন্দু আইন ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, সাংবিধানিক আইন, শ্রম আইন, কর আইন সম্পত্তি হস্তান্তর ও বুদ্ধিভিত্তিক আইন, দেওয়ানী কার্যবিধি ও তামাদি আইন, দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, সাক্ষ্য আইন, আন্তর্জাতিক আইন, কোম্পানী আইন ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন, ভূমি আইন, রেজিষ্ট্রেশন ও সরকারি দাবী আদায়ে আইন ও সিভিল ক্রিমিনাল, ড্রাফটিং ও ভাইভা ভোসি ইত্যাদি আইন বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়।

এই ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে যে সমস্ত ছাত্র/ছাত্রী ছিলেন তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল, শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে। সেই সকল ছাত্র/ছাত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের আইন বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্র আইন পরিষদের আভ্যন্তরীন সকল সেশন, বেতন, ভর্তি ফি ইত্যাদি দাবী দাওয়া বিশেষ বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন এবং জাতীয় দিবস গুলো উদযাপন করা হবে বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার লক্ষ্য। অবশ্যই প্রধান অধ্যক্ষের অনুমতিক্রমে হবে, যাহাতে ক্যাম্পাসে কোন প্রকার অরাজতা সৃষ্টি না হয়। তিনি আর বলেন এই ছাত্র/ছাত্রী প্রজন্ম আইনজীবি সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নামে গৌরব উজ্জ্বল বয়ে আনবে।

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বলেছিলেন এদশে কেহই আইনের উর্দ্ভে নয়। সে যত বড়ই ক্ষমতাশীল হক। আইনের সু-শাসনের আওতায় আনতে হবে। তাহলে আইনের সু-শাসন প্রতিষ্ঠা হবে বাংলাদেশে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২০১৬ ছাত্র/ছাত্রীদের উৎসাহিত করার লক্ষে প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে সম্মাননা পদক প্রদান ও আইন বিষয়ক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা ও সাংষ্কৃতকি অনুষ্ঠানে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।