সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার প্রশংসা

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম চৌকষ বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব উন্নয়নে ওয়াশিংটনের সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যকার বার্ষিক সংলাপের মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে হার্ডওয়ার সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিষ্ঠান ও নেতৃত্বের উন্নয়ন এবং তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে আসছে।

বুধবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত এইসব কথা বলেন। ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কম্যানড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাসান সারওয়ার্দীর নেতৃত্বে কলেজটির ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি এখন যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষা সফরে আছে। তাদের জন্যই এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদেশী রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, ‘জ্ঞানের মধ্যদিয়ে নিরাপত্তা’ ধারণাকে ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আজ এনডিসি দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, কৌশল ও উন্নয়ন শিক্ষার জন্য দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের পছন্দের সারিতে শীর্ষে আছে।

ঢাকা-ওয়াশিংটন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বলেন, আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উপভোগ করছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দুদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা নীতি গ্রহণ করে দুই দেশে তাদের সম্পর্ককে আরো গভীর ও বিস্তৃত করে চলেছে।

আর এই সহযোগিতার প্রমাণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হবার পর প্রথম বিশ্ব নেতা হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া অভিনন্দন বার্তার কথা এসময় উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার, রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার ও বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় উৎস। দুদেশের সম্পর্ক স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বৈশ্বিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত বলে রাষ্ট্রদূত যোগ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে লেফট্যানান্ট জেনারেল সারওয়ার্দী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহিনুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বক্তব্য রাখেন।