ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের সাথে স্পিকারের সাক্ষাৎ

হ্যানয় (ভিয়েতনাম), ২১ জুলাই : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটি’র চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আজ ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ট্র্যান দাই কোয়াং (ঞৎধহ উধর ছঁধহম) এর সাথে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এসময় তাঁরা দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা দু’দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্প সংস্কৃতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য, জলবায়ুর পরিবর্তন, পর্যটন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ভিয়েতনাম বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র। তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে ভিয়েতনাম কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদানের কথা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ভিয়েতনামের মহান নেতা হো চি মিনের বন্ধুত্বের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ট্র্যান দাই কোয়াং বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করেছে। তিনি বলেন’ দুটি দেশই যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থা থেকে দ্রæত উন্নতি লাভ করছে। দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম উভয় দেশই কৃষি প্রধান দেশ। তিনি বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কৃষি উন্নয়নে দ্বি-পাক্ষিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশ উপকৃত হতে পারে। তিনি বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত দ্রব্যাদি, ঔষধ, কৃষিজাত দ্রব্যাদি ও কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় সংসদ সদস্য ইমরান আহমেদ, পংকজ নাথ, এ এম নাঈমুর রহমান ও বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোঃ আবদুর রব হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।