গণহত্যার নৃশংসতা দেখে হতবাক হয়েছেন পাকিস্তানি গবেষকরা

নিউজ ডেস্ক:  বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক, লেখক, কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মুনতাসির মামুন মামুন বলেছেন, যে দেশকে আমরা ঘৃণা করি, যে দেশকে আমরা এখনও শত্রু ভাবি সেই দেশের নতুন প্রজন্মের দুজন লেখক গবেষক আমাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এদেশে এসেছেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গণহত্যা নির্যাতনের নামে নৃশংসতার চিত্র দেখে তারা হতভম্ব ও হতবাক হয়েছেন।

তিনি শুক্রবার বিকেলে ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের গণহত্যা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষযক গবেষণা কেন্দ্র এবং ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর এ সেমিনারের আয়োজন করে। খুলনা বিএমএর ডা: কাজী আজহারুল ইসলাম মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টি সভাপতি ড. মুনতাসির মামুন বলেন, বাংলাদেশ এমন এক রাষ্ট্র যারা মুক্তিযুদ্ধের শত্রু রাষ্ট্রের অনেক ব্যক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে অনেক পাকিস্তানি তাদের নির্যাতন, জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। পাকিস্তান এখনও তাদের নৃশংসতাকে স্বীকার করতে চায় না। তারা গণহত্যা হয়নি বলে এখনও ধৃষ্টতা দেখায়।

অধ্যাপক মুনতাসির মামুন বলেন, খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গণহত্যাকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সেই খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে এখন ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, পাকিস্তানের বর্তমান প্রজন্ম তাদের নৃশংসতা সম্পর্কে জানে না। তাদেরেেক জানাতে আমাদের এই উদ্যোগ।

সেমিনারে সম্মানিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন-পাকিস্তানের লেখক গবেষক হারুন খালিদ ও বেগম আনাম জাকারিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবর রহমান। সূচনা বক্তব্য দেন-ট্রাস্টি সদস্য একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির।

সেমিনারের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে বক্তব্য দেন ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টি সাধারণ সম্পাদক বিএমএর খুলনা শাখার সভাপতি ডা: শেখ বাহারুল আলম।