সংবিধান সংশোধন করে সহায়ক সরকার ব্যবস্থা করতে হবে: ফখরুল

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হলে প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে সহায়ক সরকারের ব্যবস্থা করতে হবে। অতীতের মত আমরা যদি এক হতে পারি তাহলে সংবিধান সংশোধন করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।’

শুক্রবার বেলা ১২ টায় ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘নির্বাচনের আগে একটা সহায়ক সরকার প্রয়োজন আছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়ার সাহস নেই। নির্বাচন করতে গেলেই তারা সেভাবে সুবিধা করতে পারবে না। ক্ষমতা তাদের হাতে থাকবে না। সে কারণে সংবিধানের নানা কথা বলে তারা বাধা দিচ্ছেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের মত নির্বাচন করতে পারবে না। তাদের এবার নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতেই নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রয়োজন। অন্যথায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এরই মধ্যে বিভিন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে তা প্রমাণও হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে বিএনপি শিগগির নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের রূপরেখা দেবে। ওই রূপরেখাই আলোচনার ভিত্তি হতে পারে।’

একাদশ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ করতে সংলাপ ডাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখনও সময় আছে, আসুন আলোচনা করুন, কথা বলুন। বাংলাদেশের মানুষ এখন একটা নির্বাচন চায়, তারা চায় একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক। সেভাবে ব্যবস্থা নিন, অন্যথায় পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না।’

তিনি বলেন, ‘এ সরকারের আমলে অপরাধ অনেক বেড়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে যুবলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খুন হওয়ারই এর বড় প্রমাণ।’

ঠাকুরগাঁওয়ে যুবলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খুন হওয়ারও তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এসময় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সহ-সম্পাদক মো. সামসুজ্জোহা, জেলা যুবদলের সভাপতি আবু নুর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর হোসেন তুহিনসহ দলের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।