শেষ বিকেলের আলো

নিউজ ডেস্ক: গোধূলীবেলার মায়াবী সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন সবাই। গোধূলীলগ্নের অপরূপ রূপের স্তুতিবাক্য কবি-সাহিত্যিকরা তাদের বহু লেখায় তুলে ধরেছেন।

কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছেন, ‘সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন/ সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;/ পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন/ তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল’। যেন কবিতার মতোই এ দৃশ্য।

কবি বলেছেন, ‘শেষ বিকেলের আলো যখন চলে যাবে…/ যখন ছুটি নিবে গোধূলী, তুমি কোথায় রবে?’ এমন মায়াবী সৌন্দর্যে কবির মতো মুগ্ধ হই আমরাও। হারিয়ে যাই নিজের অজান্তে। ময়মনসিংহ গেলে এমন দৃশ্য চোখে পড়বে আপনারও।

গোধূলীর মেঘ যেন সিঁদুর মেখে আছে। কপালে ছোট্ট টিপ পরেছে। যতদূর চোখ যায়, দেখা যায় ভুবন মোহিনী রূপ। একটু একটু করে ডুবে যায় সূর্য। চারিদিক থেকে আঁধার নেমে এসে ঘিরে ধরে পৃথিবী।

কণ্ঠশিল্পী মাইলসের গানে, ‘শেষ বিকেলের আলোয়/ বিষাদ সন্ধ্যায়/ চলতে চলতে এই পথে/ হঠাৎ প্রশ্ন জাগে/ আর কতকাল খুঁজবো তোমায়’। গানের মতোই জলে নামে বিষাদের ছায়া। কী যেন খুঁজি সারাটা জীবন।

মাথার ওপর রঙিন আকাশ নিচে মায়াবী প্রকৃতি। দিনের শেষের গোধূলী নতুন ভোরের বার্তা নিয়ে আসে। আমরা চাই- গোধূলীর রঙে আসুক আলোকিত ভোর।