ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৭১ শতাংশ

নিউজ ডেস্ক: ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। শেষ সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের (২ জুলাই থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত) মধ্যে তিনদিনই মূল্য সূচকের বড় উত্থান হয়েছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।

সপ্তাহ শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বেড়েছে ৭০ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

লেনদেন ও সূচক বাড়ার পাশাপাশি গত সপ্তাহে বাজার মূলধনের পরিমাণও বেড়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৫ কোটি টাকায়। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৭৭ হাজার ২২৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ ডিএসইতে বাজার মূলধন বেড়েছে ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

এদিকে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৫০ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচক বেড়েছিল ১৩০ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

ডিএসইএক্সের পাশাপাশি বেড়েছে অপর দু’টি মূল্য সূচকও। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৩২ দশমিক ১৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর ডিএসই শরীয়াহ সূচক বেড়েছে ২১ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

শেষ সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ২৯৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ৩ হাজার ১০৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত সপ্তাহে মোট লেনদেন বেড়েছে ২ হাজার ১৯২ কোটি টাকা বা ৭০ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

মোট লেনদেনের পাশাপাশি বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৯ কোটি ১১ লাখ টাকা। যা তার আগের সপ্তাহে ছিল ৬২০ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৪৩৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে ২৮১টির দাম বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ৪১টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির দাম।

গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৯০ দশমিক ৪৮ শতাংশই ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দখলে। এছাড়া বাকি ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অংকে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৫৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা সপ্তাহজুড়ে হওয়া মোট লেনদেনের ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৪০ কোটি ৩ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ১২০ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বারাকা পাওয়ার।

লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে, ফু-ওয়াং ফুড, কেয়া কসমেটিকস, ডরিন পাওয়ার জেনারিশন, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানি, প্রাইম ব্যাংক, সাইফ পাওয়ার এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ।