সুন্দরগঞ্জে অবৈধভাবে ভূ-গর্ভস্থ থেকে বালু উত্তোলণ

আবু বক্কর সিদ্দিক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা): গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নির্বিঘ্নেই চলছে অবৈধভাবে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণ। যেন দেখার কেউ নেই।

তথ্যানুসন্ধানে জানা, দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণীর বালু ব্যাবসায়ী যান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বিঘেনই ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণ করে জমজমাটভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এসব বালু বিভিন্ন স্থাপনা, রাস্তা, ব্রীজ, কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার কাজে ব্যবহার করেছে অসাধু ঠিকাদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি। বিভিন্ন প্রকল্পের সিডিউল অতিক্রম করে অবৈধভাবে উত্তোলিত ভূ-গর্ভস্থ এসব স্থানীয় বালু ব্যবহার করে অধিক লাভের অঙ্ক গুণছেন।

গত শুক্রবার (৩০জুন) উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বোয়ালী গ্রামে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণ পূর্বক ট্রলিযোগে নির্মাণ ঠিকাদারের নিকট সরবারাহ করার সময় কথা হয় অবৈধভভাবে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন পূর্বক জমজমাটভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসা স্থানীয় মজুমদারহাট এলাকার বাসিন্দা- আহম্মদ আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ৫/৭টি বালু উত্তোলণ ও সরবরাহ করার মেশিন, শ্রমিক সেট ব্যবহার করে জমজমাটভাবে এ ব্যবসা চালিয়ে অনেক টাকা-পয়সার মালিক হয়েছেন। এখন কোন অভাব নেই।

এব্যবসায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও থানা পুলিশের নিকট চুক্তি ভিত্তিক মাসোহারা টাকা প্রদান করতে হয়। অন্যথায় সমস্যা হবে। এসময় উক্ত জমির মালিক বোয়ালী গ্রামের হেলাল উদ্দিন সরকারের পুত্র নুর আলম বলেন, তার নিজ মালিকানা জমিতে বালু উত্তোলণ করে জমিটি গভীর করার পর মাছ চাষ করবেন। পার্শ্বস্থ জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, আশপাশের বসবাসরত বাড়ি-ঘরের তো কোন ক্ষতি করতে যায়নি।

তিনি আরো বলেন, নিজের জমির বালু উত্তোলণ করছি, এতে তো কারো কিছু আসে-যায়না। এর জন্য মোবাইল কোর্ট কিসের? নির্বিঘ্নেই অবৈধভাবে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণ পূর্বক জমজমাটভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসা আহম্মদ আলী বলেন, তার পাশাপাশি জাহেদুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, লাল মিয়াসহ আরো অনেকেই এ ব্যবসা করছেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার-এসএম গোলাম কিবরিয়া বলেন, বিষয়টি দেখতেছি।