ঈদের জামাত অনুষ্ঠানে চার স্তরের নিরাপত্তা : ডিএমপি কমিশনার

নিউজ ডেস্ক : ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো: আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের জামাতে মুসল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে নামাজ পড়তে পারেন, সেজন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ খেকে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হযেছে।
তিনি শনিবার দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ঈদের নামাজের নিরাপত্তায় ডিএমপি’র গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে একথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদের জামাত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
উল্লেখ্য, রাজধানীতে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮ টায় সুপ্রীমকোর্ট প্রাঙ্গণস্থ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ।
এছাড়াও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ নগরীর প্রায় ৫শ’ স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে এসব ঈদের জামাতের জন্য নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্ম্পকে ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রত্যেক মুসল্লিকে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে দিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে হবে। ঈদগাহের চতুর্থদিকে ও ভেতরে সর্তক অবস্থায় থাকবে ইউনিফর্ম পরা ও সাদা পোষাকের ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন,জাতীয় ঈদগাহ ও তার আশপাশের নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে বিপুল সংখ্যক সিসি ক্যামেরা। পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দিয়ে জাতীয় ঈদগাহ ও তার চারপাশের সার্বিক অবস্থা মনিটরিং করা হবে বলে তিনি জানান।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, নিরাপত্তায় রয়েছে ফায়ার টেন্ডার, কমান্ড ভেহিক্যাল ও ওয়াচ টাওয়ার। আগত সকল মুসল্লিরা তিন ধাপে আর্চওয়ে ও শারীরিক তল্লাশীর মধ্যদিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন রোডে দেয়া হয়েছে রোড ব্যারিকেড।
তিনি বলেন, নামাজ শেষে নির্বিঘেœ বের হওয়ার জন্য প্রধান গেটের পাশাপাশি রয়েছে ইমার্জেন্সী গেট। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের ডগ স্কোয়ার্ড দিয়ে ঈদগাহ সুইপিং করা হবে। এছাড়া স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট টিম। অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় করে আমাদের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ডিএমপি’র প্রধান বলেন,মুসল্লিরা জায়নামাজ ব্যতীত কোন ধরণের ভেনিটি ব্যাগ, ব্যাগ, ট্রলি ব্যাগ, অস্ত্র, ছুরি, চাকু, কাচি, গোলাবারুদ ও দার্হ্য পদার্থ সাথে নিয়ে আসতে পারবেন না।
তিনি বলেন,ঈদগাহের আধা কিলোমিটারের মধ্যে কোন মোটরসাইকেল ও গাড়ি আনা যাবে না। মোটরসাইকেল ও গাড়ি ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করতে হবে।
জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশে প্রতিটি চেকপোস্টে তল্লাশীকালে পুলিশকে সহযোগিতা করতে জনসাধারণের প্রতি তিনি আহবান জানিয়েছেন।