উদ্ধার কাজে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ: সেতুমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী বলেছেন, একজন জনপ্রতিনিধির প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিতে বসবাসকারী মানুষদের সরিয়ে নেওয়া। আপনারা এটাকে বলেন উচ্ছেদ, কিন্তু আমি বলবো উদ্ধার।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাসে বাটালিহিল পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ বসতির ক্ষেত্রে কোনও ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব সহ্য করা হবে না। এসব ক্ষেত্রে যেকোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে। উদ্ধারের জন্য প্রয়োজন হলে বলপ্রয়োগ করেও তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে হবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের দুর্যোগ যে আগামী বছর হবে না তা আমরা হলফ করে বলতে পারি না। এ দুর্যোগের জন্য আমি দায়ী করবো অপরিকল্পিত বসতি ও আমাদের মানসিকতা। গরিব মানুষ জানমালের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বসতি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে চায় না। আমাদের উচিত যেতে না চাইলেও তাদেরকে জোর করে হলেও নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া যারা উদ্ধার হয়েছে তাদেরকে বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

রাঙামাটিতে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, রাঙামাটিতে প্রতিরোধমূলক দেয়াল বা রিটেইনিংওয়াল ছিল না। ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো শুধুমাত্র শহরে নয় গ্রামেও রয়েছে। এখনও যেসব পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস রয়েছে সেগুলো সরাতে হবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাসিরউদ্দিন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী, স্থানীয় সংসদ সদস্য আফসারুল আমিন প্রমুখ।