শেয়ারের দর ও লেনদেন ঊর্ধ্বমুখী

নিউজ ডেস্ক:  গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিনই বেশিরভাগ কোম্পানি দর হারিয়েছিল। ব্যতিক্রম ছিল গত সোম ও মঙ্গলবার। ওই দুই দিনের দরবৃদ্ধির ওপর ভর করে সপ্তাহের সার্বিক হিসাবে দর বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের। এমনকি বাজার সূচক ও লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।

প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী গত সপ্তাহে এ বাজারে তালিকাভুক্ত ৩৩৪ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৩২টির কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৮টির দর বেড়েছে, কমেছে ১১২টির এবং অপরিবর্তিত থেকেছে ২২টির দর। এতে এ বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪৭৫ পয়েন্টে উঠেছে। এ বাজারে মোট ২ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। দৈনিক গড়ে কেনাবেচা হয়েছে ৫৫৬ কোটি টাকার শেয়ার। যা এর আগের সপ্তাহের তুলনায় সোয়া ৩৫ শতাংশ বেশি।

একই অবস্থা ছিল দেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার সিএসইতে। এ বাজারে ১৭১ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ৮৯টির এবং অপরিবর্তিত থেকেছে ১৮টির দর। এতে এ বাজারের প্রধান সূচক সিএসসিএক্স প্রায় ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ১০২৮০ পয়েন্টে উঠেছে। লেনদেন হয়েছে ৩৪৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার।

বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, জাতীয় বাজেটে শেয়ারবাজার ইস্যুতে কোনো কিছু না থাকার পরও শেয়ারবাজারের এমন আচরণ আশাব্যঞ্জক। বাজেট অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। তবে তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোম্পানিগুলোর আর্থিক সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব। সে হিসাব বিবেচনা করেই লেনদেন হবে, শেয়ারদর বাড়বে-কমবে। তবে ব্যাংকের আবগারি শুল্ক বৃদ্ধি ও সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোর ঘোষণার কারণে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়বে, এমন আশাতেই বাজারের ঊর্ধ্বগতি বলে অনেকে মনে করেন।