কটিয়াদী বাজারে অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সামান্য বৃষ্টি হলেই বাজারের অলি গলি পানিতে তলিয়ে যায়।আর এটি হচ্চে কটিয়াদী বাজারের অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে পৌরসভার প্রায় সব সড়ক। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই বাজারের কয়েক হাজার ব্যবসায়ী । ঘোষ পট্টি ও গেঞ্জি পট্টির পানি নিষ্কাশন সমস্যা স্বাধীনতা পরবর্তী ৪৫ বছরেও সমাধান হয়নি।

বাজারের চালু ড্রেনগুলো ময়লা-আবর্জনায় বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া বহুড্রেন ভেঙে পড়ে রয়েছে।কটিয়াদী পুরাতন বাজারের প্রেসক্লাব সড়কের পাশের ড্রেনের একাংশ দীর্ঘদিন যাবত ভেঙে পড়ে রয়েছে। এই ড্রেন দিয়ে পুরাতন বাজারের সব পানি নিষ্কাশিত হয়ে থাকে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সামান্য বৃষ্টি হলে কটিয়াদী পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে পানি জমে। বিশেষ করে ডেকসি পট্রি, চাউল মহাল,কলেজ গেইট,হিরা লাল সাহা মোড় জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসায়ীরা বেশি দূর্ভোগে পড়ে।

বাপিন ডেকোরেটর সত্ত্বাধিকারী জানান, সামান্য বৃষ্টি হলে চাউল মহাল রোড পানি জমে যায়। দোকানে ক্রেতা আসতে পারে না। জলাবদ্ধতার কারণে ক্রেতাদের আসতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পানি জমে বিষাক্ত পানির ছোঁয়ায় বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

ছন্দবিন্দু শো রুমের সত্ত্বাধিকারী ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলে চাউল মহাল রোডে যেতে অনেক অসুবিধা হয়। পানি নিস্কাসনের সুবিধা না থাকায় দিনের পর দিন সড়কে পানি জমে থাকে। পৌর কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে শীঘ্রই পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান। তিনি আরও
জানান, কটিয়াদী বাজারের ব্যবসায়ীদের কেন্দ্র বিন্দু হল এ রোড। এইসব মার্কেটগুলোতে প্রায় শতাধিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

কটিয়াদী পৌর মেয়র শওকত ওসমান শুক্কুর আলী জানান, কটিয়াদী বাজারের প্রতিটি গলি দুই পাশের স্থাপনাগুলোতে উপযুক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তবে বৃষ্টির পর পানি আবার নেমে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের কোন ক্ষতি হয় না বলে তিনি দাবি করেন। তবে শীঘ্রই ড্রেনগুলো পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।