চট্টগ্রামে মহেশখালে বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতা

রনজিত কুমার শীল, চট্টগ্রাম :  আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারী বর্ষণের সতর্কবাণীকে সত্য প্রমাণ করেছে বৃষ্টি। আজ শুক্রবার সকাল নয়টার আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পতেঙ্গা কার্যালয়।

যথারীতি মহেশখালের সেই অস্থায়ী বাঁধের কারণে পূর্ব পাশের গোসাইলডাঙ্গা, সিডিএ আবাসিক, বেপারিপাড়া, এক্সেস রোড, শান্তিবাগসহ বিশাল এলাকার পানি নামতে পারেনি। কোথাও হাঁটুপানি আবার কোথাও ছিল কোমর সমান।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ৬১ মিলিমিটার এবং রাত ১২টা থেকে শুক্রবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে পতেঙ্গা এলাকায়।

ভারী বৃষ্টির সঙ্গে জোয়ারের কারণে জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করছে নগরীতে। আবদুল হান্নান জানান, আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ৬ মিনিটে ভাটা শুরু হয়েছে। বেলা ১টা ২৩ মিনিটে জোয়ার আসবে। সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে পানি ভাটা শুরু করবে।

আগ্রাবাদ এলাকার একজন সরকারি কর্মকর্তা জানান, আমার বাবা একটু আগে বেপারি পাড়ার বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। নিচে কোথাও হাঁটু সমান আবার কোথাও বুক সমান পানি। আজ শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন থাকায় আমি এখনো বের হইনি। কিন্তু জুমার নামাজের জন্য বের হতে হবে। জানি না কী আছে কপালে।
সিডিএ আবাসিক এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী সুভাষ চন্দ্র শীল জানান, যুগ যুগ ধরে এখানে ব্যবসা করে আসছি।

জোয়ার-ভাটার সঙ্গে তাল মেলাতে এলাকাবাসী অভ্যস্ত হয়ে গেছে। মহেশখালের মতো জোয়ার-ভাটার একটি বড় খালে উদ্ভট মস্তিষ্কপ্রসূত অবৈজ্ঞানিক বাঁধ দেওয়ার পর এখন পুরো এলাকা বিশ্রি গন্ধের দূষিত পানিতে পুরো এলাকা সয়লাব হয়ে গেছে।