পশ্চিমবঙ্গে বামদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

নিউজ ডেস্ক:  পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে সোমবার বামফ্রন্টের ডাকা রাজ্যের সচিবালয় নবান্ন অভিযানে পুলিশের ব্যাপক লাঠি চার্জ ও টিয়ার গ্যাসের সেল চালিয়েছে। এতে ২০ জন সাংবাদিকসহ শতাধিক বাম নেতা-কর্মী আহত হলেন।

আহত হয়েছেন বাম ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সাবেকমন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, সাংসদ মুহমামদ সেলিমসহ প্রমুখ।

পথচারীসহ মহিলা-পুরুষ নির্বিচারে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ। মিছিল রুখতে লাঠি আর গ্যাস-জল কামান ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশকেও লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ। এদিকে বামেদের ইটের আঘাতে বেশ কয়েক পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন।

সোমবারের বামেদের অভিযানের শুরু থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। নবান্নে ঢোকার চেষ্টা করার অভিযোগে বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী, তন্ময় ভট্টাচার্যসহ ২৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অপর দিকে, নবান্নে পৌঁছানোর আগেই মিছিল আটকে দেয় ডাফরিন রোড, মেয়ো রোড ও শিবপুর চত্বরে। ব্যারিকেড ভেঙে, গার্ডওয়াল টপকে মিছিল এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা শুরু হলেই লাঠি চালায় পুলিশ। টিয়ার গ্যাস-জল কামান দিয়ে মিছিল ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটও ছোঁড়া শুরু হয়।

নবান্ন অভিযান প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ার পর পুলিশের লাঠি চালানোর প্রতিবাদে কলকাতার গান্ধীমূর্তি পাদদেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ বামেদের। সূর্যকান্ত মিশ্র, অনাদি শাহু, বিমানসহ একাধিক নেতার নেতৃত্বে চলছিল বিক্ষোভ আন্দোলন চলছিল।

প্রশাসনের ভূমিকায় বামেদের সমর্থন করে সেই অবস্থান বিক্ষোভে আসেন কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান এবং মনোজ চক্রবর্তী। এই সময়ে অবস্থান বিক্ষোভ তুলতে ফের লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সেই সময়ে পুলিশের লাঠির আঘাতে কংগ্রেস নেতা মনোজ চক্রবর্তীর মাথা ফেটে যায়।