সামাজিক আন্দোলনের র্বধিত সভা অনুষ্ঠিত

 

নিউজ ডেস্ক:  বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের দায়িত্বশীল সরকারী আমলা, মন্ত্রীগণ ও বিভিন্ন সময়ের লুটেরা শ্রেনীর মানুষেরা কখনো সাধারন মানুষের সংকট প্রয়োজনীয়তা দুঃখ দুর্দশার গভীরতা অনুভব করেনি। যেমন উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা পরিস্থিতিকর তীব্রতার জীবনহানী না ঘটা পর্যন্ত সরকারের ও রাষ্টের কানে পানি ঢুকেনি কখনও। উত্তরাঞ্চলের মানষের জীবনে মঙ্গা যে বছর বছর দু:খ-দুদর্শার কারন তা স্বীকার করাটা ও রাষ্ট্র মনে করেনী দীর্ঘ সময়ধরে।

মঙ্গার দুঃখ কষ্টের স্বচিত্র প্রতিবেদন আর্ন্তজাতিক গনমাধ্যম ও মানবতাবাদীদের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার বাধ্যহয়ে এক সময় মঙ্গা পরিস্থিতির মোকাবিলার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করেছে, আজ দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষ ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হচ্ছে ও মঙ্গার কবল মুক্তি পেতে শুরু করেছে।আজকে হাওড় অঞ্চলের মানুষের দুর্দিনে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে সরকারের দায়িত্বশীলদের কথামালার যে সংবাদ বেরহচ্ছে তাতে বুঝা যাচ্ছে উচ্চপর্যায়ের দয়িত্বশীলরা কতটা উদাসীন ও দায়িত্বহীন।

বিকাল ৫টায় সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের সাধারন সম্পদক সালেহ আহমেদ উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সংগঠনের ঢাকা মহানগর কমিটির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আজিজুর রহমান, রাজিয়া সামাদ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সানোয়ার হোসেন সামচী, এ.কে. আজাদ, আবদুল ওয়াহেদ,মামুনুর রশীদ ডালিয়া এম শফিউর রহমান খান বাচ্চু, ঢাকা মহানগর নেতা অধ্যপক আব্দুল জব্বার, কাজী সালমা, মো. সুমন মিয়া, কামরুজ্জামান, মাহমুদ ইশতিয়াক প্রমূখ।

সভায় ড. আজিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে কালো অধ্যায় শুরু জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্যদিয়ে, স্বাধীনতা বিরোধীদের দেশবিরোধী চক্রান্তের নির্মম শিকার বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চারনেতা, স্বাধীন বাংলাদেশ। এই চক্রকে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন সময়ে কথিত গনতন্ত্রের কথা বলেই রাজনীতিতে অর্থনীতিতে, সমাজে (বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি সমুহের) প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। আজকে রাজনীতিতে কিছু শব্দ যুক্ত হচ্ছে, হাইব্রিড, কাউয়া(কাক),ফারমের মুরগী।

আমরা স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরেও এখন গভীরভাবে শঙ্কিত হচ্ছি শুধু কথা বলার মধ্যে রাজনৈতিক দল ও ক্ষমতাসীনদের সীমাবদ্ধ থাকলে চলবেনা, এই অপশক্তি সমূহের মূল উৎপাটনে দেশে আশু রাজনৈতিক সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে। এই অপশক্তি সমাজে গভীর শিকড় গেড়ে বসেছে, তাই আমরা মনেকরি স্বাধীনতা বিরোধী ৭৫এর খুনিও লুটেরাচক্র এরা সবসময় বিপদজনক। এরা বিভিন্ন সময়ে নানান কৌশলে ক্ষমতাসীন হয়েছে, এরাই জঙ্গীবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে দেশকে বিপদগ্রস্ত ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে এবং অর্জনকে বিপদগ্রস্থ করে চলছে।

কাজেই আজকে যারা ক্ষমতায় আছেন তাদের যেমনী দেশের গনতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখার দায়িত্ব অধিকতর পালন করতে হবে, তেমনি অগ্রসরমান, অসামপ্রদায়িক, বৈষম্যহীন স্বদেশ প্রতিষ্ঠায় জোর তৎপরতা চালাতে হবে দায়িত্ব নিতে হবে, শোষিত বঞ্চিত মানুষের মানবিক মূল্যবোধ ভিত্তিক সমাজ পতিষ্ঠার। দেশের বিবেকবান রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রগতিশীল শক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাই, আসুন প্রতিরোধ গড়েতুলি সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে।

সভায় সংগঠনের ঢাকা মহানগর শাখার সম্মেলনকে সামনে রেখে কতিপয় সাংগঠনিক সিদ্যান্ত গৃহীত হয়।

সভায় সংগঠনের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য আবুল কাশেমের মৃত্যুতে ১ মিনিট দাড়িঁয়ে নিরবতা পালন ও প্রয়াত নেতার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।