উপদ্রুত অঞ্চল ঘোষনার দাবী: সামাজিক আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক:  সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিয়া উদ্দিন তারেক আলী সাধারন সম্পাদক সালেহ আহমেদ এক বিবৃতিতে কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, জেলার হাওর অঞ্চলে-আকষ্মিক বন্যায় আবাদি কৃষির ফসল, সু-স্বাধু মাছ, পশু পাখী, হাস-মুরগীর ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলা, আগাম বর্ষা ও পাহাড়ী ঢলে উপদ্রুত অঞ্চলের কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতিতে এক ফসলী আবাদি জমির কৃষকেরা-বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল, সারা বছরের খাদ্যশষ্য হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে, একইসাথে তাদের ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়া, পরিবার পরিজনের চিকিৎস্যা খরচের তথা জীবন-জীবিকার অনিশ্চয়তায় হতাশাগ্রস্ত। অন্যদিকে-নদীর পানি দুষনে মাছ, পশু পাখি, হাঁস মোরগের মোড়ক, মরার উপর খাড়ারগা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের খাদ্যশষ্য সরবারাহে এই অঞ্চলের কৃষকেরা ফি-বছর ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছে। আজকের এই প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলের মানুষদের সারা বছরের-পরিবার পরিজন নিয়ে বেচেঁ থাকার নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা, আগামী সময়ের জন্য কৃষি, সার, বীজ সংকট বিমোচনে সরকারের যথাযথ সহযোগীতা-অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।

আমরা উপরোক্ত অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রনে স্থায়ী সমাধান ও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরনের ব্যাবস্থাসহ খাদ্য, শিক্ষা চিকিৎস্যার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সমুহের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। একইসাথে আমরা-দাবি করছি উপদ্রুত অঞ্চলকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে নিম্মোক্ত ব্যবস্থাদি গ্রহন করতে হবে :-

১। উপদ্রুত অঞ্চলের সকল কৃষি ঋন মওকুপ করতে হবে।

২। সরকারীও বেসরকরারী সংস্থা সমুহের পরিচালিত ক্ষদ্র ঋন ব্যবস্থার-ঋন মওকুপ, স্বাস্থ্য সেবা-নিশ্চিত কল্পে সরকারী বেসরকারী উদ্যেগ জোরদার করতে হবে।

৩। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের আগামী ফসল না আসা পর্যন্ত রেশেনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৪। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পরিবারের ছেলে-মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরন-সরবরাহ ও শিক্ষার্থীদের সবধরনের ফি-মওকুপ করতে হবে।

৫। বন্যাপরিস্থিতি-নিয়ন্ত্রনে-যথাযথ কর্তৃপক্ষের ত্রুটি বিচ্যুতি তদন্ত করতে হবে, ভবিষৎতে যাতে এ ধরনের অনাহুত ঘটনা না ঘটে তার জন্য স্থায়ী বাধঁ নির্মান ও বাধেঁর নিরাপত্তা বিধানে-মনিটরিং এর ব্যবস্থা নিতে হবে।