ওয়ালটন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে অর্থমন্ত্রী মুহিত

নিউজ ডেস্ক:  দেশের প্রথম ফ্রিজ কম্প্রেসার উৎপাদন ইউনিট উদ্বোধন করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ওয়ালটন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এসেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে তিনি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাইটেক ও মাইক্রোটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পার্কে এসে পৌঁছান। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ওয়ালটন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম নূরুল আলম রেজভী।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এসএম শামসুল আলম, এসএম আশরাফুল আলম, এসএম রেজাউল আলম, এসএম মঞ্জুরুল আলম, তাহমিনা আফরোজ ও রাইসা সিগমা, নির্বাহী পরিচালক আবুল বাশার হাওলাদার (ফিন্যান্স), নির্বাহী পরিচালক এসএম জাহিদ হাসান (পলিসি, এইচআরএম অ্যান্ড অ্যাডমিন), মো. সিরাজুল ইসলাম (পলিসি, এইচআরএম অ্যান্ড অ্যাডমিন), আশরাফুল আম্বিয়া (সোর্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং), মো. হুমায়ুন কবীর (পিআর অ্যান্ড মিডিয়া), সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এসএম শাহাদত হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক ফিরোজ আলম, মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌস, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস এর সভাপতি মোস্তাফা জব্বার প্রমুখ।

অর্থমন্ত্রী ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে ওয়ালটনের বিশাল কর্মযজ্ঞের ওপর নির্মিত ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। এ সময় তিনি ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন।

প্রসঙ্গত, ওয়ালটনের নবনির্মিত ফ্রিজ কম্প্রেসার উৎপাদন ইউনিট উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আজ দেশেই উচ্চ গুণগতমানের কম্প্রেসার তৈরির দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটছে। সেই সঙ্গে বিশ্বে ১৫তম কম্প্রেসার উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে নাম লেখালো বাংলাদেশ। আর এশিয়ায় অষ্টম কম্প্রেসার উৎপাদনকারী দেশ।

ওয়ালটনের সোর্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও কম্প্রেসার প্রকল্পের প্রধান আশরাফুল আম্বিয়া বলেন, ‘গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা কমপ্লেক্সে প্রায় ১৬ লাখ বর্গফুট কর্ম এলাকায় এই কম্প্রেসার ফ্যাক্টরি স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে রয়েছে বিশাল স্টিল, জিংক, অ্যালুমিনিয়াম ও কপার কাস্টিং এবং ফাউন্ড্রি। আরো রয়েছে বিশাল টেস্টিং ও মেটাল প্রসেসিং সিস্টেম। প্রকৃত অর্থে একটি পূর্ণাঙ্গ কম্প্রেসার উৎপাদন কারখানাই স্থাপন করেছে ওয়ালটন।’

তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ওয়ালটন কম্প্রেসার কারখানায় বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৪০ লাখ কম্প্রেসার। তবে আমাদের লক্ষ্য হলো- আগামী ৫ বছরের মধ্যে বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ১ কোটি ২০ লাখে উন্নীত করা। প্রথম দিকে তৈরি করা হবে ইন্ডাকশন প্রযুক্তির কম্প্রেসার। তবে, আগামী বছর (২০১৮ সাল) থেকে তৈরি হবে ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসার।